বলিউড নির্মাতা ও কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান, যার রসিকতা আর খোলামেলা প্রশংসা ইন্ডাস্ট্রিতে সুপরিচিত। সম্প্রতি তাঁর একটি ইউটিউব ভ্লগ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
সেই ভ্লগেই উদ্যোক্তা মীরা রাজপুতকে দেখে এতটাই মুগ্ধ হন ফারাহ, যে মজা করেই তাঁকে নায়িকা হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। আর সেই মুহূর্তই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
ভ্লগে দেখা যায়, সাধারণ কিন্তু স্টাইলিশ পোশাকে ফারাহ খানের অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করছেন মীরা। তাঁকে দেখেই হাসিমুখে স্বাগত জানান ফারাহ এবং সঙ্গে সঙ্গেই প্রশংসায় ভরিয়ে দেন।
নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিক ভঙ্গিতে ফারাহ বলেন, মীরা দেখতে একেবারেই “নায়িকার মতো” এবং চাইলে অনায়াসেই বড় পর্দায় অভিনয় করতে পারেন।
ভিডিওতে ফারাহকে বলতে শোনা যায়, ‘মীরা, তুমি তো নায়িকা হতে পারো।আমার ছবিতে একটা চরিত্র করো।’
এই অপ্রত্যাশিত প্রশংসায় কিছুটা লাজুক হয়ে পড়েন মীরা। তবে হাসিমুখে বিষয়টি সামলান তিনি। ভদ্রভাবেই প্রস্তাবটি গ্রহণের ভঙ্গি দেখালেও জানান, আপাতত অভিনয়ে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁর।
ওই ভ্লগে মীরার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুর ও নীতু কাপুরের কন্যা রিদ্ধিমা কাপুর সাহনি এবং তাঁর মেয়ে সমারা সাহনি। পুরো ভিডিওজুড়েই ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ আর হালকা মেজাজ।
ফারাহ খানের ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি বলিউডের অন্যতম সফল নির্মাতা ও কোরিওগ্রাফার। ২০০৪ সালে ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি, যা বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পায়। এরপর ‘ওম শান্তি ওম’ ছবির মাধ্যমে দীপিকা পাড়ুকোনের বলিউড অভিষেক করান ফারাহ।
পাশাপাশি ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’–এর মতো হিট ছবিও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, তাঁর পরবর্তী ছবিতেও ফের শাহরুখ খানকে দেখা যাবে।
অন্যদিকে, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে অভিনেতা শহিদ কাপুরকে বিয়ের পর প্রথমবার আলোচনার কেন্দ্রে আসেন মীরা রাজপুত। পারিবারিক উদ্যোগে হওয়া এই বিয়ের পর তাঁদের সংসারে আসে দুই সন্তান- মেয়ে মিশা এবং ছেলে জাইন।
গত কয়েক বছরে মীরা নিজেকে শুধুমাত্র একজন তারকার স্ত্রী হিসেবেই নয়, বরং একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজের ব্যবসা ও বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি তৈরি করেছেন আলাদা পরিচিতি।
ফিটনেস, আত্মবিশ্বাস ও স্টাইল- সব মিলিয়ে মীরা আজ নিজেই একটি ব্র্যান্ড। তবে ভবিষ্যতে সত্যিই কি তাঁকে নায়িকার ভূমিকায় দেখা যাবে? আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর অধরাই।
কেএন/টিকে