পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কারাবন্দি নেতা ইমরান খানকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।
পিটিআই নেতাদের উদ্বেগের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।
২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে তোশাখানা ও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক ক্রিকেট তারকা থেকে রাজনীতিক ইমরান খান। চলতি সপ্তাহে তার দল পিটিআইর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান এবং ইমরান খানের বোনেরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পিটিআই নেতারা জানান, ইমরান খানের চোখে ‘রেটিনাল ভেইন অক্লুশন’ নামক জটিল সমস্যা দেখা দিয়েছে। তারা বলেন, সঠিক চিকিৎসা না পেলে ইমরান খান চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন। তথ্যমন্ত্রীর এই বিবৃতির মাধ্যমে সরকার মূলত সেই উদ্বেগ নিরসনের চেষ্টা করেছে।
পিটিআই নেতাদের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী তারার জানান, ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা এবং চোখের সমস্যা নিয়ে তার দলের পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর সরকারি সিদ্ধান্তে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
তিনি বলেন, প্রথমে চক্ষু বিশেষজ্ঞরা আদিয়ালা কারাগারে গিয়ে ইমরান খানকে পরীক্ষা করেন। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স (পিমস) হাসপাতালে নেয়া হয়।
আতাউল্লাহ তারার আরও জানান, গত শনিবার রাতে ইমরান খানের চোখের বিশদ পরীক্ষা করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নির্দেশনাসহ তাকে পুনরায় আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইমরান খান বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। জেলের নিয়ম মেনে সকল বন্দির মতো তাকেও নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা প্রদান করা হচ্ছে।’ তবে পিটিআই নেতারা এখনও দাবি করছেন যে, সরকারি চিকিৎসকদের পাশাপাশি ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মাধ্যমেও তাকে পরীক্ষা করার সুযোগ দেয়া হোক।
এমআর/টিকে