নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, খেলা হবে ঘোষণা দিয়ে না খেলেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন শামীম ওসমান। শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের আতঙ্ক ছিলেন। তাই তাকে গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাহস থাকলে এখন মাঠে এসে জনগণের সাথে মোকাবেলা করুন।
সাধারণ জনগণ আপনাদেরকে প্রতিহত করবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ৯নং ওয়ার্ডের জালকুড়ি এলাকায় এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, এই এলাকার একজন সাবেক সংসদ সদস্য (গিয়াসউদ্দিন) যিনি এখন স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। তিনি ভোটারদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করছেন।
আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সিদ্ধিরগঞ্জে কোন সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু থাকবে না। সিদ্ধিরগঞ্জে একটি আধুনিক হাসপাতাল, একটি স্কুল এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে যেন এলাকার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় যেয়ে লেখাপড়া করতে না হয়।
সিদ্ধিগঞ্জের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল প্রধানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের সিদ্ধিরগঞ্জের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ, থানা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদ নুরুন নাহার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আয়েশা আক্তার দিনা, সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সদস্য বিএম ডালিম, থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল প্রধান, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন বাদল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান বাবু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রিপন সরকার, নাসিক ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইসরাফিল প্রধানসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
পরে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ৯ নং ওয়ার্ডের জালকুড়ি উত্তরপাড়া, জালকুড়ি মধ্যে পারা, কড়াইতলা, নাইনতারপাড়, তালতলা, জালকুড়ি দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোট প্রার্থনা করে গণসংযোগ করেন।
এ সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে নারী ভোটাররা আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে স্বাগত জানান।
এবি/টিএ