ভারতের বারাণসীর গঙ্গার ঘাটে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে তীব্র বিতর্কে জড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে আইনিভাবে বিচ্ছেদ না ঘটিয়েই তিনি ঋতিকা গিরির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই খবর প্রকাশ হতেই কলকাতায় শুরু হয়েছে আলোচনা।
পরিস্থিতি আরো জটিল হয়, যখন ঋতিকা দাবি করেন, অনিন্দিতা তাঁদের সম্পর্কের কথা আগে থেকেই জানতেন।
তবে সেই বক্তব্য সরাসরি খারিজ করে হিরণ ও ঋতিকার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অনিন্দিতা ও তাঁর কন্যা নিয়াসা। থানা থেকে বেরিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন ১৯ বছরের নিয়াসা। তিনি জানান, বাবার সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ভালো না থাকলেও হঠাৎ করে এই বিয়ের খবর মানসিকভাবে তাঁকে বিপর্যস্ত করেছে।
নিয়াসার কথায়, “মা কাঁদছিল, তখন নিজেকেও সামলাতে পারছিলাম না।” তিনি আরো বলেন, বন্ধুদের বাবাদের সঙ্গে নিজের বাবার তুলনা করলেই কষ্ট বেড়ে যায়।
এদিকে হিরণের এই বিয়ের পর কন্যা নিয়াসা নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। কেননা ঋতিকা নিয়াসার চেয়ে নাকি মাত্র দুই বছরের বড়।
কলকাতার শোবিজে জোর গুঞ্জন চলছে হিরণের মেয়ে নিয়াসা অভিনয়ে আসতে পারেন। এরই মধ্যে নিয়াসার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও দেখা গেছে একাধিক ফটোশুটের ছবি আপলোড করেছেন নিয়াসা।
হিরণ বৃহস্পতিবার কলকাতার এক গণমাধ্যমকে জানান, মেয়ে তার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি। এদিকে, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অনিন্দিতা যেন অন্য কাহিনি-ই শোনালেন।
সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে অনিন্দিতাকে বলতে শোনা যায়, হিরণ নাকি তাঁর মেয়েকে ব্ল্যাকমেইল করতেন।
রীতিমতো তাঁর পড়াশোনা নিয়ে প্রশ্ন করতেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমার ওইটুকু ছোট মেয়েটাকে রীতিমতো ব্ল্যাকমেইল করত ও। একটা ছোট্ট মেয়েকে ও বলত, তুমি এত মায়ের হয়ে কথা বলছ তো, আমি তোমার পাশে না থাকলে তোমার বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা হতো? চালাতে পারবে তো তোমার মা? নিজের বাবা এরকম কথা বলতে পারে? ও এরকমই ধরনের শয়তান লোক।”
এমকে/টিকে