একটা সময় যারা হ্যাঁ'র বিপক্ষে ছিলো তারা বাধ্য হয়ে হ্যাঁ'র পক্ষে এসেছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত নেতৃত্ব গড়ে তোলা গেলে দেশ এগিয়ে যাবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে মহেশখালী বড় বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন জামায়াতে আমির।
জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, গণভোটে যারা হ্যাঁ'র বিপক্ষে যাবে; তারা পুরানো ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। একটা সময় যারা হ্যাঁ'র বিপক্ষে ছিলো তারা বাধ্য হয়ে হ্যাঁ'র পক্ষে এসেছে। তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারগুলো নারীদের এগিয়ে নিতে এবং নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্য নির্বাচিত হলে; নারীদের সম্মান-নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ঋণখেলাপি, ব্যাংক ডাকাত এই নেতৃত্ব দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ হবে না। যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়া যাবে না। যাদের চরিত্রবল আছে, যাদের মধ্যে সততা আছে, দেশপ্রেম আছে, যারা মানুষের সঙ্গে লেগে থাকে সুখে-দুঃখে, যারা বসন্তের কোকিল নয় বাংলাদেশ গড়া হবে তাদের দিয়ে। এই বাংলাদেশ আর হামাগুড়ি দিয়ে, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সামনে যাবে ওটা আমরা চাই না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে পরিমাণ টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে সেটা ২৮ লাখ কোটি টাকা। বাংলাদেশের বার্ষিক বাজেটের চার গুণ। এটা জনগণের টাকা। এই টাকা লুণ্ঠনকারীরা চুরি করে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি ওদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনব এবং সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। তারপর ইনসাফের ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। আর কোনো বেইনসাফি এখানে হতে দেওয়া হবে না।
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের যে এলাকা যতটা বঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া সেই এলাকাকে সবার আগে টেনে তোলা হবে। মহেশখালীকে একটি স্মার্ট ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুবকদের কর্মসংস্থান হবে। বেকার ভাতার চিন্তা করা লাগবে না। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কাজ করবে। দল-ধর্ম কিছুই দেখা হবে না। যোগ্যতা আর তার দেশপ্রেম দেখে কাজ কাজের সুযোগ দেয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এসএস/এসএন