সম্প্রতি বিগ ব্যাশে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। এ ছাড়া পিএসএলের গত আসরে লাহোর কালান্দার্সের হয়েও ভালো পারফর্ম করেছেন তিনি। তবে বল হাতে ভালো করলেও পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নিলামের আগে তাকে ধরে রাখেনি লাহোর।
পিএসএলের নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে দলগুলো। আগের মৌসুমে এই সংখ্যা ছিল ৮ জন। শাহীন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, আবদুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ নাইমকে ধরে রেখেছে লাহোর কালান্দার্স।
পিএসএলের গত আসরে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন রিশাদ হোসেন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ৭ ম্যাচ খেলে ১৩ উইকেট নিয়েছেন এই স্পিনার।
এদিকে রিটেইন তালিকা প্রকাশ করেছে টুর্নামেন্টের ৫টি দল। প্লাটিনাম ক্যাটাগরি থেকে শাদাব খান, গোল্ড ক্যাটাগরি থেকে সালমান ইরশাদ ও সিলভার ক্যাটাগরি থেকে আন্দ্রিস গাউসকে ধরে রেখেছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। যদিও নাসিম শাহ, শাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলী আগা, মোহাম্মদ নাওয়াজ, ইমাদ ওয়াসিম, আজম খান, হায়দার আলীর মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স রিটেইন করেছে আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, হাসান নাওয়াজ ও শ্যামল হোসেনকে। তারা ছেড়ে দিয়েছে মোহাম্মদ আমির, রাইলি রুশো, মার্ক চ্যাপম্যান, খাওয়াজা নাফে, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রদের।
জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটার সাইম আইয়ুবকে ছেড়ে দিয়েছে পেশওয়ার জালমি। তবে বাবর আজমকে তারা ঠিকই ধরে রেখেছে। তা ছাড়া সুফিয়ান মুকিম, আব্দুল সামাদ ও আলী রাজাকেও ধরে রেখেছে দলটি। এদিকে মুলতান সুলতান্স ও কিংসম্যান হায়দরাবাদ তাদের কোনো ক্রিকেটারকে রিটেইন করেনি।
রিটেইন ক্রিকেটারদের তালিকা:
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: শাদাব খান, সালমান ইরশাদ ও আন্দ্রিস গাউস।
শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্স: স্টিভ স্মিথ (সরাসরি চুক্তি)।
করাচি কিংস: খুশদিল শাহ, হাসান আলী, সাদ বেগ ও আব্বাস আফ্রিদি।
কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স: আবরার আহমেদ, উসমান তারকি, হাসান নাওয়াজ ও শ্যামল হোসেন।
লাহোর কালান্দার্স: শাহীন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ নাইম।
পেশাওয়ার জালমি: বাবর আজম, সুফিয়ান মুকিম, আব্দুল সামাদ ও আলী রাজা।
এসএস/টিএ