বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় জামায়াতের ৫০ নেতকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টারের বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা বিএনপিতে যোগদানের ঘোষণা দেন। জামায়াত নেতাদের বিএনপিতে যোগদানের ঘেষনায় স্থানীয় রাজনীতিতে এক বড় ধরনের চমক সৃষ্টি হয়েছে।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঝিনাইদহ-২ আসনে ধানের শীষের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ।
এ সময় হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়ন জামায়াতের ইউনিট সভাপতি মাসুদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। যোগদান অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ বলেন, ‘দেশের এই সংকটকালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে শামিল হতে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নজির হয়ে থাকবে। আপনাদের এই অন্তর্ভুক্তি তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করবে।’
দলত্যাগী জামায়াত নেতা মাসুদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কৌশলে আমরা সাধারণ কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির আদর্শ ও গণমুখী কার্যক্রম আমাদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। একারণেই আমরা অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। এখন থেকে আমরা রাজপথে বিএনপির সঙ্গেই থাকব।’
অনুষ্ঠানে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা রিপন।
জামায়াত থেকে বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে হরিণাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির মো. বাবুল হোসাইন বলেন, ‘বিএনপিতে যোগদানের বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি মাসুদ হোসেন কোনোদিন কোনো পর্যায়ে জামায়াত শিবিরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না। জনমনে বিভ্রান্তি ও ন্যারেটিভ ছড়ানোর জন্যই এই যোগদান নাটক সাজানো হয়েছে। আমি এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
এসএস/টিএ