চলচ্চিত্র জগতের বহুল প্রতীক্ষিত নির্মাতা এস এস রাজামৌলি ও তারকা মাহেশ বাবুর নতুন ছবি ‘বারাণসী’ মুক্তির এখনো অনেক দেরি। ২০২৭ সালের এপ্রিলে মুক্তির লক্ষ্য থাকলেও ছবিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে এখনই। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু শুধু ছবির ব্যাপ্তি বা গল্প নয়, বরং এর বিপুল ও সাহসী প্রচার কৌশল।
শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘বারাণসী’র বিশ্বব্যাপী প্রচারণার জন্য রাজামৌলি আলাদা করে ৭৫ কোটি রুপি বা তারও বেশি অর্থ ব্যয়ের কথা ভাবছেন। হলিউডের প্রচলিত একটি মডেল অনুসরণ করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা, যেখানে অনেক সময় ছবির প্রচার ব্যয় নির্মাণ খরচের ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাবশালীদের সঙ্গে কাজ, বিদেশি সংবাদমাধ্যম সফরসহ বহুমাত্রিক প্রচারের দিকেই ঝুঁকছেন এই নির্মাতা।
বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা কিছু সাম্প্রতিক ছবির উদাহরণ থেকেই নাকি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন রাজামৌলি।
লক্ষ্য একটাই—মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই দর্শকের দৃষ্টি কাড়তে সর্বোচ্চ দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে ‘বারাণসী’কে শুধু ভারতীয় ছবি হিসেবে নয়, বৈশ্বিক পরিসরের এক বিশাল ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে তুলে ধরা।
তবে এত বড় প্রচার বাজেটের সঙ্গে ঝুঁকিও কম নয়। যদি ছবিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা করতে না পারে, তাহলে এই বিপুল প্রচার ব্যয় ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবুও রাজামৌলির আগের কাজের অভিজ্ঞতা বলছে, বড় পরিসরকে দর্শনীয় আয়োজনে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই সফল।
এ কারণেই ‘বারাণসী’ নিয়ে এখন কেবল দর্শক নয়, গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পও তাকিয়ে আছে। এই প্রচার কৌশল সফল হলে ভবিষ্যতে বড় বাজেটের ভারতীয় ছবির বিপণনের ধরনই বদলে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ইউটি/টিএ