মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক ইস্যুতে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে জায়গা বদলের দাবি করেছে ইরান। তারা বলছে, আলোচনা তুরস্কে নয় বরং ওমানে অনুষ্ঠিত হোক এবং শুধু পারমাণবিক ইস্যুতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সীমিত করা হোক। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) একটি আঞ্চলিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে শুক্রবার হওয়ার কথা ছিল এই আলোচনা। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর সামরিক শক্তি বাড়ানোর সাথে সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরিবর্তনের আহ্বান জানাল ইরান।
আঞ্চলিক শক্তিগুলো এমন একটি অচলাবস্থার সমাধানের জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে যা এরইমধ্যে পারস্পরিকভাবে বিমান হামলার হুমকির দিকে পরিচালিত হয়েছে এবং বৃহত্তর যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এদিকে, মঙ্গলবার আরব সাগরে আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীটির কাছে ‘আক্রমণাত্মকভাবে’ আসা একটি ইরানি ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
এর আগে সোমবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ইরানের সাথে চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সাথে আলোচনা করছি।’
তবে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি এবং আলোচনা কোথায় হবে বলে তিনি আশা করেন তা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
এছাড়া ইরানের দাবি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক কূটনীতিক বলেন, তেহরান ‘আলোচনার ফরম্যাট পরিবর্তন করতে চায়, তারা এই আলোচনা শুধু পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমিত রাখতে চায়।’
‘তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক ফাইল নিয়ে আলোচনা করতে চায়, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ব্যালিস্টিক) ক্ষেপণাস্ত্র এবং এই অঞ্চলে ইরানের প্রক্সিদের কার্যকলাপের মতো অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করার কথা বলেছিল।’
এদিকে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট ফক্স নিউজকে বলেছেন যে ইরানের সাথে আলোচনা এখনও এই সপ্তাহের শেষের দিকে হওয়ার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, কোথায় আলোচনা হবে, স্থানটি নিয়ে এখনও পরামর্শ চলছে।
সূত্র: রয়টার্স