যশোরের চৌগাছায় নারীকর্মীদের হেনস্তার দুই ঘটনায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে দুটি মামলা হয়েছে। মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগ দুটি আমলে নিয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের সশরীরে সামারি ট্রায়ালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান সিনিয়র সিভিল জজ গোলাম রসুল।
অভিযুক্তরা হলেন, ধুলিয়ানী ইউনিয়নের মোক্তারপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেন, হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিন, মুকুল হোসেন ও মন্টু রহমান।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রেস সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম তারেক জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে হেনস্তার শিকার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের রেঙ্গুন খাতুন ও হাকিমপুরের নাসরিন খাতুন নামে দুই নারী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে দুটি অভিযোগ দাখিল করেন। কমিটির প্রধান সিনিয়র সিভিল জজ গোলাম রসুল অভিযোগ দুটি গ্রহণ করেন এবং অভিযুক্ত সাতজনকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সশরীরে সামারি ট্রায়ালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
একইসঙ্গে এই আদেশ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য চৌগাছা থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, ‘নারী কর্মীদের হেনস্তার বিষয়টি দুই পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়েছে। আদালতের কোনো আদেশ হাতে পানি। কাগজপত্র হাতে পেলে নির্দেশনা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
পিএ/টিএ