চরিত্র নির্মাণে আলাদা স্বাক্ষর রেখে চলেছেন পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা। তাঁর ছবিতে নায়ক যেমন শক্তিশালী উপস্থিতি পায়, তেমনি নায়িকাদেরও দেওয়া হয় সমান গুরুত্ব, সমান আবেগ আর সমান কাহিনির ওজন। তাই তাঁর নারী চরিত্রগুলো কখনও সাজসজ্জার উপকরণ হয়ে থাকে না, বরং গল্পের চালিকাশক্তি হিসেবেই উঠে আসে। এই ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে সমসাময়িক নির্মাতাদের ভিড়ে আলাদা করে দেয়।
শালিনী পাণ্ডের প্রীতি থেকে কিয়ারা আদভানির প্রীতি, রাশমিকা মন্দানার গীতাঞ্জলি হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৃপ্তি দিমরি, প্রতিটি নির্বাচনে যেন ভাঙ্গার এক বিশেষ পরিকল্পনা কাজ করে। তাঁর ছবিতে অভিনয় করা অনেক অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে এসেছে নতুন মোড়, তৈরি হয়েছে আলাদা পরিচিতি। চরিত্রের গভীরতা, আবেগের স্তর আর মানসিক টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পেয়েই তাঁরা নিজেদের অভিনয়ের নতুন দিক তুলে ধরতে পেরেছেন।
তারকাখ্যাতির চেয়ে চরিত্রের শক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার উদাহরণও বারবার দেখা গেছে তাঁর কাজে। জনপ্রিয় নাম বাদ দিয়ে তুলনামূলক কম পরিচিত মুখকে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছেন তিনি, কারণ তাঁর কাছে গল্পের প্রয়োজনই শেষ কথা। এই সিদ্ধান্তগুলো কেবল ছবির গতি বদলায় না, বরং অভিনেত্রীদের কর্মজীবনেও বড় পরিবর্তনের সূচনা করে। ফলে তাঁর সিনেমা যেমন নায়কদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, তেমনি নারী চরিত্রগুলিও দর্শকের মনে দীর্ঘদিন ছাপ ফেলে যায়।
আইকে/টিকে