বাংলাদেশকে ছাড়াই কাল থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। এবারের টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে মোট ২০ টি দেশ। আয়োজক দেশ হিসেবে আছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্ব, সুপার এইট ও নকআউট পর্ব মিলিয়ে এবারের আসরে ম্যাচ হবে ৫৫ টি। চার গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো।
ভেন্যু জটিলতা, ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব, বাংলাদেশের আপত্তিতে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া, স্কটল্যান্ডের যুক্ত হওয়া নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬। ২০ দল নিয়ে আয়োজিত হওয়া দশম আসরের এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ হিসেবে রয়েছে ভারত আর সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কা।
তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না বাংলদেশ ইস্যুতে অনেকটা রংহীন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে নিজেদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার জন্য আইসিসির কাছে অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে সে অনুরোধ নাকচ করে বাংলাদেশকেই বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে যুক্ত করে আইসিসি। সেই জের ধরে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলাতে অস্বকৃতি জানায় পাকিস্তান তাতেই বিশাল ক্ষতি মুখে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কমেছে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিও।
এই আসরেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে ইতালি। তাই দশম আসর একটু বিশেষ ইউরোপের দেশটির জন্য। ভারতের সামনে রয়েছে প্রথম দল হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের সুযোগ।
গ্রুপ পর্ব, সুপার এইট ও নকআউট পর্ব মিলিয়ে এবারের আসরে ম্যাচ হবে ৫৫ টি। দুই দেশের মোট আট ভেন্যুতে গড়াবে ম্যাচগুলো। ২০ দলকে ভাগ করা হয়েছে চার গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে পাঁচটি দল যেখানে তারা খেলবে একে অপরের সঙ্গে। গ্রুপের শীর্ষ দুই দল যাবে সুপার এইটে। সেখানে আট দল নিয়ে হবে আরো দুই গ্রুপ শীর্ষ দুই দল যাবে সেমিফাইনালে।
এ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। বি গ্রুপে বড় দলগুলোর মাঝে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কা। এছাড়া রয়েছে আয়ারল্যান্ড, ওমান ও জিম্বাবুয়ে। ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে সি গ্রুপে তাদের সঙ্গে রয়েছে ইতালি, নেপাল ও স্কটল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে কঠিন গ্রুপ ডি। ৮ মার্চ ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর।
এসকে/টিকে