ভোট আমি ধানের শীষে দিব : ওমর সানী
ছবি: সংগৃহীত
১২:৫১ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এলেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। ওমুর সানী ফেসবুকে লিখেছেন, 'বের করেন কোনো কিছু আমার খুঁজে পান কিনা? ভোট আমি ধানের শীষে দিব।' পোস্টটির সঙ্গে একটি ছবি যুক্ত করে তিনি কার্যত নেটিজেনদের ছুড়ে দিয়েছেন প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন কি না, তার প্রমাণ দেখানোর জন্য।
আর সেই চ্যালেঞ্জের সামনেই নেটিজেনরা তুলে এনেছেন তার স্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান।
তার স্ত্রী নায়িকা মৌসুমী আওয়ামী লীগের এমপি হতে চেয়েছিলেন। ছেলেকে নিয়ে তিনি মনোনয়নপত্র কিনতে গিয়েছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণায় শোবিজ অঙ্গনের একাধিক পরিচিত মুখ যুক্ত হয়েছেন। সেখানে ছিলেন মনির খান, রবি চৌধুরী, নায়িকা শিমলাসহ অনেকে।
তারা প্রকাশ্যেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। কিন্তু অতীতে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এমন অভিযোগে এসব তারকার অনেকেই এখন সামাজিক মাধ্যমে ট্রলের মুখে পড়ছেন।
এই প্রেক্ষাপটে ওমর সানীর পোস্টকে দেখা হচ্ছে আত্মপক্ষ সমর্থনের পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা হিসেবে। কারণ, তার আগে থেকেই শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা চলছিল আওয়ামী লীগ আমলে সুবিধাভোগী ছিলেন এমন শিল্পীরা হঠাৎ করেই ধানের শীষে ভোট চাইছেন।
সামাজিক মাধ্যমের বিতর্কের জবাবেই পোস্টটি ওমর সানী দিয়েছেন। তবে প্রতিক্রিয়াগুলো একমুখী ছিল না। অনেক নেটিজেন সরাসরি তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দেন। কেউ কেউ তার অতীত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় আরেকটি প্রসঙ্গ।
ওমর সানীর স্ত্রী জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন। নেটিজেনদের একাংশ মনে করিয়ে দেন, মৌসুমী এক সময় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনয়ন চেয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন।
এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি মৌসুমী মনোনয়নপত্র কিনতে যান আওয়ামী লীগ অফিস থেকে। মনোনয়ন ফরম কিনতে সেদিন বুধবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। এ সময় মৌসুমীকে ঘিরে সেলফি তোলার হিড়িক পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মৌসুমীকে মনোনয়ন দেয়নি। মৌসুমী বর্তমানে কোনো দলের রাজনীতিতেই সক্রিয় নন। তিনি আমেরিকায় বসবাস করছেন দীর্ঘদিন ধরে।
এমকে/টিকে