© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মাদক স্পট বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন

শেয়ার করুন:
মাদক স্পট বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৩ পিএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
অনুমোদনবিহীন ‘সিসা লাউঞ্জ’ নামক মাদক স্পট বন্ধ, জড়িত কর্মকর্তা শনাক্তকরণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, রাজধানীর বনানী, গুলশানসহ সারাদেশে অনুমোদনবিহীন “সিসা লাউঞ্জ” নামের আড়ালে মাদকের শ্রেণীভুক্ত দ্রব্য সেবন ও বেচাকেনা পরিচালিত হচ্ছে এমন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব কার্যক্রম যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে এবং সমাজব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পুলিশ কমিশনার জনাব সাজ্জাত আলী এবং ডিজি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ জনাব মারুফ হোসেনের নির্দেশনায় ইতিপূর্বে বনানী, গুলশানসহ সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করে বহু মাদক স্পট বন্ধ ও প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে যা প্রশংসনীয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে, মাঠ প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে পুনরায় এসব মাদক স্পট চালু করে দিচ্ছে। ফলে পূর্ববর্তী অভিযানের সুফল বিনষ্ট হচ্ছে।

আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে মন্তব্য করেছেন যে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধ দমনে আইন প্রয়োগে কোনো প্রকার শৈথিল্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং আইনগত কোনো বাধা নেই। সিসা বা হুক্কা মাদকদ্রব্য, তা অবশ্যই আইনের আওতাভুক্ত হবে।

এছাড়াও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ, সরবরাহ ও সেবন সবই দণ্ডনীয় অপরাধ এবং কঠোর শাস্তির বিধান বিদ্যমান। অতএব, সিসা লাউঞ্জের আড়ালে পরিচালিত মাদক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় কোনো আইনগত বাধা নেই।

আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে চারটি দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো
১। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি উচ্চপর্যায়ের স্বাধীন বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হোক।

২। বনানী, গুলশানসহ সারাদেশে অনুমোদনবিহীন সিসা লাউঞ্জ ও সকল মাদক স্পটের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হোক।

৩। প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

৪। মাদক ব্যবসায় সহায়তাকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ বাহিনীর জড়িত কর্মকর্তা/সদস্যদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

৫। অভিযান-পরবর্তী কঠোর মনিটরিং ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক, যাতে পুনরায় কোনো মাদক স্পট চালু না হতে পারে।

এমকে/এসএন

মন্তব্য করুন