ভরা মঞ্চে চটুল ভঙ্গিতে গায়ে জল ঢেলে বিতর্কে ‘ধুরন্ধর’ গায়িকা!
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৫৬ এএম | ২২ এপ্রিল, ২০২৬
কনসার্ট চলাকালীন ভরা মঞ্চে নিজের গায়ে জল ঢেলে বিতর্কের শিরোনামে জ্যাসমিন স্যান্ডলাস। তিন হাজার কোটির ব্যবসা দেওয়য়া ব্লকবাস্টার ভারতীয় সিনে ফ্র্যাঞ্চাইজির কাস্টিং, কলাকুশলীরা গত মাস তিনেক ধরেই লাইমলাইটে। অতঃপর ‘ধুরন্ধর’ স্টারদের সর্বক্ষণের গতিবিধিও বর্তমানে পাপারাজ্জি থেকে নেটভুবনের আতশকাচে। এবার গায়িকা জ্যাসমিনের কীর্তিকলাপ নিয়ে হইচই!
জ্যাসমিন স্যান্ডলাস সম্প্রতি আহমেদাবাদে কনসার্ট করছিলেন। সেখানেই অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেন তিনি। যা দেখে দর্শক-শ্রোতাদের চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়! ভাইরাল এক ভিডিওয় দেখা যায়, মঞ্চে পারফরম্যান্সের সময় জ্যাসমিনের অ্যাড্রিনালিন রাশ একেবারে তুঙ্গে। নেচে-গেয়ে ঘেমে একশেষ গায়িকা। কিন্তু শ্রোতাদের মনোরঞ্জনের জন্য নিজেকে না থামিয়ে অভিনব পন্থায় হাঁটেন তিনি। আচমকাই পারফরম্যান্সের মাঝে বোতল থেকে নিজের গায়ে জল ঢালতে থাকেন জ্যাসমিন। এখানেই শেষ নয়! ঠিক সেইসময়েই দর্শক-শ্রোতারা টের পান গায়িকা লাইভ পারফরম্যান্সে ‘লিপ সিঙ্ক’ করছেন। খানিক খোলসা করে বললে, ‘ধুরন্ধর’-এর হিট গান ‘শরারত’ গাইতে গিয়ে শুধু ঠোঁট মেলাচ্ছেন। আর সেই বিষয়টি নজরে পড়তেই কড়া সমালোনার শিকার জ্যাসমিন স্যান্ডলাস। তবে যেটা নিয়ে সবথেকে বেশি বিতর্কের স্ফুলিঙ্গও জ্বলে উঠেছে, সেটা হল- ভরা মঞ্চে চটুল ভঙ্গিতে গায়িকার নিজের জল ঢালার বিষয়টি। সেসব নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নেটবাসিন্দারা।

জ্যাসমিনকে কটাক্ষ করে কারও মন্তব্য, ‘আপনার গানের অর্ধেক অংশ তো দর্শকরাই গেয়েছে, তাহলে কি টিকিটের অর্ধেক টাকা ফেরত পাওয়া যাবে?’ কেউ বা বললেন, ‘আমি ভেবেছিলাম নাচের পরিশ্রমের কারণে হয়তো তাঁর শরীর থেকে ঘাম ঝরছে। কিন্তু শেষমেশ দেখা গেল ওটা আসলে জল ছিল। তার ওপর আবার লিপ-সিঙ্ক! কী এমন পরিশ্রমটা করলেন যার জন্যে নিজের গায়ে এভাবে জল ঢালতে হবে?’ কারও কটাক্ষ, ‘কোনও ভিডিওতেই জ্যাসমিনকে গান গাইতে দেখা যাচ্ছে না। পুরোটাই লিপ-সিঙ্ক, লাইভ কনসার্টের জন্য এটা অত্যন্ত হতাশাজনক!’ এহেন নানা বিদ্রুপবাণ ধেয়ে এসেছে গায়িকার উদ্দেশে।
পাঞ্জাবি সঙ্গীত জগতে জ্যাসমিন স্যান্ডলাস অত্যন্ত পরিচিত নাম। ‘এবিসিডি ২’, ‘কিক’ থেকে ‘মুঞ্জ্যা’র মতো একাধিক সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। পাঞ্জাবে যিনি ‘গুলাবি ক্যুইন’ বলে পরিচিত। সেই গায়িকার কনসার্ট কীর্তিতেই এবার শোরগোল।
এমআই/টিএ