© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তথ্যের জগতে সবচেয়ে বড় বিষয় বস্তুনিষ্ঠতা: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
তথ্যের জগতে সবচেয়ে বড় বিষয় বস্তুনিষ্ঠতা: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১৩ এএম | ০৩ মে, ২০২৬
তথ্যের জগতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বস্তুনিষ্ঠতা। তাই গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘স্বাধীন গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ অপতথ্য: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তথ্যকে অনেক সময় আদর্শের রঙিন চশমা দিয়ে দেখা হয়। ভিন্ন মতাদর্শ ভিন্নভাবে তথ্য উপস্থাপন করলেও তথ্য একই থাকে- শুধু উপস্থাপনার রং বদলে যায়। এতে বাস্তবতা বিকৃত হয়। তাই গণমাধ্যমকে মূল্যায়ন করতে হবে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে।

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে একটি কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেখানে ব্যক্তির স্বাধীনতা অন্যের স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করবে- যাতে কেউ স্বাধীনতার নামে অরাজকতায় না জড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদে না পৌঁছায়।

অপতথ্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়, বরং একটি নতুন ধরনের লড়াই। সবাই মিলে এ লড়াইয়ে অংশ নিতে পারলে ভবিষ্যতে কোনো বিপথগামী রাজনৈতিক শক্তির পক্ষেও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভেঙে ফেলা সহজ হবে না।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল বলেন, গণমাধ্যম শুধু তথ্য বা সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, নাগরিকদের সচেতন করাও এর দায়িত্ব। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের লড়াই সমান্তরাল এবং গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, অপতথ্যের পেছনে মূল চালিকাশক্তি অপরাজনীতি। তাই অপতথ্যের বিরুদ্ধে লড়তে হলে অপরাজনীতি ও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, পিআইডির প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল প্রমুখ।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন