© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রুখবে ‘অটোমেশন’, আসছে ‘ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রুখবে ‘অটোমেশন’, আসছে ‘ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১৩ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর করতে ‘অটোমেশন’ ও ‘ডিজিটালাইজেশন’- এর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

রোববার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এবং অনিয়ম রুখতে দ্রুতই ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা চালু করা হবে।



প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বিগত ১৫ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আজ ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেব কোথা’ অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। এই ভাঙাচোরা সিস্টেমকে ঢেলে সাজাতেই আমরা অটোমেশনের পথে হাঁটছি।"

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে কোনো কার্যকর ‘রেফারেল সিস্টেম’ নেই। ফলে সাধারণ জ্বরের রোগীও বিশেষায়িত হাসপাতালে ভিড় করছেন। এই বিশৃঙ্খলা দূর করতে ই-হেলথ কার্ড প্রবর্তন করা হচ্ছে। একটি বিশাল ডিজিটাল আর্কিটেকচারের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে সংযুক্ত করা হবে, যার ফলে রোগীরা ধাপ অনুযায়ী সঠিক জায়গায় চিকিৎসা পাবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশাল কর্মযজ্ঞে দুর্নীতির পোটেনশিয়াল সুযোগ থাকে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৫০০ কেনাকাটা ইউনিট এবং হাজার হাজার চিকিৎসক-নার্সের পদায়ন ও বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে অ্যালগরিদম ভিত্তিক অটোমেশন করা হবে। 



সম্প্রতি নতুন চিকিৎসকদের পদায়নে অটোমেশন পদ্ধতি সফল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, লজিক্যাল উপায়ে পদায়ন করলে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ সংকটের বৈষম্য দূর হবে।

অপ্রয়োজনীয় ও দামী ওষুধ লিখে রোগীদের ওপর চাপ কমানোর জন্য ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ চালু করার কথা জানান তিনি। এর ফলে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন মনিটর করা সম্ভব হবে এবং জেনেরিক নামের বদলে দামী ব্র্যান্ডের ওষুধ লেখার প্রবণতা কমে আসবে।



প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সিস্টেম ভেঙে পড়াটা যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি এটি আমাদের জন্য নতুন করে গড়ার সুযোগও। আমরা পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে রি-মডেলিং করছি যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত সেবা পায়।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন