© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভালো চরিত্র পেলে পারিশ্রমিক গৌণ হয়ে যায়: দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য

শেয়ার করুন:
ভালো চরিত্র পেলে পারিশ্রমিক গৌণ হয়ে যায়: দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৩৪ পিএম | ১২ মে, ২০২৬
বাংলাদেশের ছবিতে প্রথমবার অভিনয় করেই দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। শাকিব খানের নতুন ছবি ‘প্রিন্স’-এ খল চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও বাংলাদেশের ছবিতে এটাই তাঁর প্রথম কাজ। আর সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বারবার উঠে এল শাকিব খানের নাম।

দিব্যেন্দুর কথায়, শাকিব খান অত্যন্ত পেশাদার এবং ভীষণ অমায়িক একজন মানুষ। বাংলাদেশের এই তারকার জনপ্রিয়তার কথা আগেই শুনেছিলেন তিনি। তবে কাছ থেকে কাজ করার পর তাঁর ব্যবহার, কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং সহজ স্বভাব আরও বেশি মুগ্ধ করেছে অভিনেতাকে। একসঙ্গে কাজ, আড্ডা, খাওয়াদাওয়া সব মিলিয়ে পুরো অভিজ্ঞতাটাই তাঁর কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছে।

‘প্রিন্স’ ছবিতে দিব্যেন্দুকে দেখা গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খল চরিত্রে। অভিনেতার মতে, এই ধরনের ছবিতে খলনায়কের চরিত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়। তাই চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। একই ভাষায় কাজ করার স্বস্তির কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। দেশ আলাদা হলেও বাংলা ভাষা তাঁকে আলাদা এক আত্মীয়তার অনুভূতি দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন অভিনেতা।

বাংলাদেশে কাজ করলেও টলিউডে তাঁকে কেন খুব বেশি দেখা যায় না, সেই প্রশ্নও উঠেছে বারবার। যদিও এ নিয়ে সরাসরি কোনও অভিযোগ করতে চাননি দিব্যেন্দু। তাঁর বক্তব্য, কোন অভিনেতাকে কোন ছবিতে নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত পরিচালক ও প্রযোজকদের। তিনি নিজেকে শুধু একজন অভিনেতা হিসেবেই দেখেন। সুযোগ পেলে আরও বাংলা ছবিতে কাজ করতে চান বলেও জানিয়েছেন।

এদিকে খুব শিগগিরই বড় প্রযোজনা সংস্থার স্পাইভিত্তিক ছবি ‘আলফা’-তেও দেখা যাবে তাঁকে। ছবিতে রয়েছেন আলিয়া ভাট ও শর্বরী ওয়াঘ। যদিও চুক্তিগত কারণে নিজের চরিত্র নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি নন অভিনেতা। শুধু জানিয়েছেন, দর্শকদের জন্য সেখানে অন্য রকম চমক অপেক্ষা করছে।



সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে দিব্যেন্দুর নতুন ধারাবাহিক ‘মামলা লিগ্যাল হ্যায়’-এর দ্বিতীয় পর্ব। সেখানে বিচারকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনেতার দাবি, চরিত্রটি তাঁর আগের কাজগুলোর থেকে একেবারেই আলাদা। চরিত্রের ভেতরে পুরোপুরি ঢুকে কাজ করতেই তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। এই ধারাবাহিকে কাজের অভিজ্ঞতাও তাঁর কাছে দারুণ ছিল। বিশেষ করে অভিনেতা রবি কিষাণের সঙ্গে কাজ করে ভীষণ আনন্দ পেয়েছেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমা দেখার অভ্যাস নিয়েও কথা বলেছেন দিব্যেন্দু। সময়ের অভাবে এখন আর খুব বেশি বাংলা ছবি দেখা হয় না তাঁর। শেষ যে বাংলা ছবি তিনি দেখেছেন, সেটি ‘অসমাপ্ত’। কারণ সেই ছবিতে তিনি নিজেও অভিনয় করেছিলেন।

নতুন চরিত্র বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর আলাদা ভাবনা রয়েছে। দিব্যেন্দুর কথায়, গল্প এবং চরিত্রই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালো চরিত্র পেলে পারিশ্রমিক বা অন্য অনেক বিষয়ই তখন গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।

পিআর/এসএন

মন্তব্য করুন