সুইফট ও বিয়ন্সের দুই গান এখন আমেরিকার ‘জাতীয় সম্পদ’
ছবি: সংগৃহীত
১০:০৩ পিএম | ১৫ মে, ২০২৬
বিশ্ববিখ্যাত দুই পপ তারকা টেইলর সুইফট আর বিয়ন্সে নোয়েলস। তাদের অর্জনের শেষ নেই। দুনিয়া জোড়া ভক্তদের ভালোবাসার পাশাপাশি বিশাল বিত্ত-বৈভব থেকে শুরু করে সবচেয়ে বড় বড় পুরস্কার- সবই রয়েছে তাদের অর্জনের ঝুলিতে। তবে এবার অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছে গেলেন এই দুই নামী শিল্পী।
সুইফট ও বিয়ন্সের গান আমেরিকার ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন ২৫টি রেকর্ডিংকে এ বছর লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের ‘ন্যাশনাল রেকর্ডিং রেজিস্ট্রি’তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকায় প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছেন এ প্রজন্মের দুই তারকা টেইলর সুইফট এবং বিয়ন্সে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ ঘোষণা দিয়ে লাইব্রেরি অব কংগ্রেস জানিয়েছে, সাংস্কৃতিক ও নান্দনিক গুরুত্বের বিচারে এই শব্দভান্ডারগুলো আগামী প্রজন্মের জন্য চিরস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হবে।
২০২৬ সালের এই তালিকায় বৈচিত্র্যময় স্বাদের গান স্থান পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে টেলর সুইফটের ২০১৪ সালের ব্লকবাস্টার অ্যালবাম ‘১৯৮৯’ এবং বিয়ন্সের ২০০৮ সালের কালজয়ী গান ‘সিঙ্গেল লেডিস (পুট আ রিং অন ইট)’।
এ ছাড়া বড়দিনের চিরচেনা সুর হোসে ফ্যালিসিয়ানোর ‘ফেলিজ নাভিদাদ’, চাকা খানের ‘আই ফিল ফর ইউ’ এবং রিবা ম্যাকএন্টায়ারের অ্যালবাম ‘রিমার হ্যাজ ইট’ এই বিশেষ তালিকায় স্থান পেয়েছে। শুধু গান নয়, ১৯৭১ সালের মোহাম্মদ আলী বনাম জো ফ্রেজিয়ারের ঐতিহাসিক ‘ফাইট অব দ্য সেঞ্চুরি’র রেডিও সম্প্রচারকেও আমেরিকার জাতীয় সম্পদ হিসেবে সংরক্ষণের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল রেকর্ডিং প্রিজারভেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান রবিন আহরোল্ড জানিয়েছেন, আমেরিকার ২৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের এ বছরে ২৫টি রেকর্ডিং আমেরিকান অভিজ্ঞতার এক বিশাল প্রতিফলন।
প্রসঙ্গত, এবারের নতুন সংযোজনের ফলে লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের সংরক্ষিত মোট রেকর্ডিংয়ের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০০-তে। প্রতি বছর জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া কয়েক হাজার মনোনয়ন থেকে বিশেষজ্ঞ কমিটি ‘ন্যাশনাল রেকর্ডিং রেজিস্ট্রি’র এ তালিকা চূড়ান্ত করে।
পিআর/টিকে