কলকাতার আবাসিক হোটেলে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে মোদির শোক
ছবি: সংগৃহীত
১১:৪১ পিএম | ১৯ আগস্ট, ২০২৬
কলকাতার নিউ মার্কেট থানা এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোদি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বার্তায় বলা হয়, কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় তারা অত্যন্ত মর্মাহত। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন দুর্গতদের সহায়তা করছে বলে জানানো হয়।
জানা যায়, দমকলের সদর দপ্তরের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামের হোটেলে মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টার দিকে আগুন লাগে। পরে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও এক শিশু রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, মৃতদের মধ্যে আটজনই বাংলাদেশের নাগরিক। এ ছাড়া হোটেলের এক কর্মীও মারা গেছেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। পাঁচতলা ভবনটির প্রতিটি তলায় একাধিক হোটেল চলছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোতে ন্যূনতম অগ্নিনিরাপত্তাবিধিও মানা হয়নি।
হোটেলের প্রবেশপথ ছিল সংকীর্ণ। পাশাপাশি ভবন থেকে বের হওয়ার সিঁড়িটিও লোহার তৈরি হওয়ায় আগুনের তাপে সেটি গরম হয়ে যায়। ফলে আতঙ্কিত আবাসিকরা দ্রুত বের হতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুন লাগার কারণ ও অগ্নিকাণ্ডে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ডেপুটি কমিশনার (ডিডি) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দমন শাখা) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকলের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইড শাখা ঘটনাটির তদন্ত করছে।
সূত্র: এই সময়
এমআই/টিএ