ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নির্বচানী শুনানি ৫৫৫নং আগামী ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক তার দাখিলকৃত হলফনামায় একটি সক্রিয় ও চলমান বাণিজ্যিক লাইসেন্সের তথ্য উল্লেখ করেননি। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক প্রদত্ত বীজ ও সার ডিলার লাইসেন্স নম্বর ৮২৭, যা কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী বাজারে অবস্থিত। সেটি কার্যকর ও সচল থাকা সত্ত্বেও আয় ও সম্পদের বিবরণীতে গোপন রাখা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নথিতে আরও বলা হয়, উক্ত লাইসেন্সের মাধ্যমে নিয়মিত আর্থিক লেনদেন ও আয় অর্জনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত না করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ধারা ৪৪(২)-এর লঙ্ঘন। আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগকারী ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, জামায়াতের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কেননা তিনি তথ্য গোপন করেছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই তথ্য সরকারকে জানানো উচিত বলে জানিয়েছি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক সারের লাইসেন্স রয়েছে স্বীকার করে বলেন, আমি হলফনামায় ব্যবসা উল্লেখ করেছি। কিন্তু ভুলে ডিলারের কাগজপত্র দিতে ভুলে গেছি। শুনানিতে ডকুমেন্টস দেওয়া হবে। রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরী জানান তার নামে বিএডিসি সারও বীজের লাইসেন্স আছে।
এমআই/এসএন