মকরসংক্রান্তির আগমনে বাঙালি বাড়িতে শুরু হয়ে গেছে পিঠেপুলির আয়োজন। রান্নার ঘ্রাণ, গরম গরম পিঠে এবং উৎসবের আমেজ-ছোটবেলা থেকে এই অভিজ্ঞতা এই প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও ভোলেননি।
তাসনিয়া ফারিণ জানালেন, “শীত পড়লেই আমাদের বাড়িতে প্রায় রোজ পিঠে হয়। মা যত্ন করে বানান ভাপা পিঠে, সেদ্ধ পিঠে, পাঠিসাপটা, নকশি পিঠে, পুলি পিঠে, সিমাই পিঠে, তালের পিঠে।” নায়িকা নিজেও নকশি পিঠে বানাতে পছন্দ করেন।
সৌরসেনী মৈত্র বলেন, “রান্না করা পিঠেও খাই। মা দুধপুলি, সেদ্ধ পিঠে, পাটিসাপটা বানান। আমি মজা করে সব খাই।” আর রোহন ছোটবেলার স্মৃতি স্মরণ করে জানালেন, “মামাবাড়িতে বড় গামলায় পিঠে রান্না হত, দু’দিন ভাত খেতাম না। টাটকা পিঠে খাওয়ার স্বাদ অন্যরকম।” যদিও অভিনয় ও ডায়েটের কারণে এখন রোহন অল্প খেয়ে থাকেন।
দিব্যজ্যোতিও পিঠেপুলি ছাড়তে নারাজ। “সারা বছর ডায়েটে থাকি, বছরের দুই দিনও খাব না? বেশি জিম করলে মেদ ঝরে যাবে। তবে এই দুই দিনে আশ মিটিয়ে খাব।” সুস্মিতা দে জানান, ছোটবেলা থেকেই দিদা-মার সঙ্গে পিঠে বানানো ও খাওয়া তার নিত্য অভ্যাস। “পাটিসাপটা খেতে বেশি ভালো লাগে, মঞ্চে নিয়মিত মহড়ার পরও অবশ্যই খাব।”
এই প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা জানালেন, পিঠেপুলি শুধুই খাদ্য নয়, এটি স্মৃতির উষ্ণ সংযোগ। পিঠে খাওয়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ছোটবেলার আনন্দ-সব মিলিয়ে মকরসংক্রান্তি তাদের জীবনের আনন্দময় দিনগুলোর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
পিআর/টিএ