নির্বাচন কমিশনের শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত শুনানিতে মামলা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করলে কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।
এর আগে মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণ দেখিয়ে নেত্রকোণায় ৫টি আসনের মধ্যে নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাসুম মোস্তফার মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান। রোববার (৪ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে মামলা সংক্রান্ত সব তথ্য ও উপযুক্ত কাগজপত্র দাখিল করেন অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার উপস্থাপিত কাগজপত্র সন্তোষজনক বিবেচনা করে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, শুরুতেই আমি মহান রব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি আমার বৈধ অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। নেত্রকোণার সম্মানিত রিটার্নিং কর্মকর্তা গত ৪ জানুয়ারি আমার নমিনেশন পেপার অবৈধ ঘোষণা করেন। ছোট্ট একটা ভুলের কারণে উনি আমাকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে আমি নির্বাচন কমিশনে আপিল করি। আজকে মহামান্য আপিল কোর্ট আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। যারা আমার জন্য দোয়া করেছেন আমি সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বিশেষভাবে পূর্বধলা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই। আগামীতে যেন আমরা আরও ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে পারি এজন্য সকলের সহযোগিতা এবং দোয়া চাই।
বৈধতা ফিরে পাওয়ায় এখন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে নেত্রকোণা-৫ আসনে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা আরও প্রাণবন্ত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আরআই/টিএ