চলমান বিপিএলে সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলছেন পারভেজ হোসেন ইমন। এই আসরে তাকে বেশ কয়েকটি ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নিজের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে করছেন উইকেটকিপিংও। এছাড়া প্রথম ৫ ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাট করার পর বাকিগুলো খেলছেন ওপেনিংয়ে।
বিজ্ঞাপন
গতকাল (শুক্রবার) সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভূমিকা নিয়ে ইমন বলেছেন, ‘আমি চিন্তা করছি, মাইন্ডসেটের জিনিসটা। প্রথম ৫ ম্যাচ চারে খেলেছি, এরপর ওপেন খেলছি। আমার জন্যও ভালো হয়েছে। দুই জায়গারই স্বাদ পেয়েছি। আমার জন্য ভালো।’
পরে নিজের কিপিং নিয়ে ইমন জানান, ‘আমি আসলে কিপিং উপভোগ করছি। ডিআরএস নিয়ে ক্যাপ্টেনের সঙ্গে কথা বলি, ক্যাপ্টেন বোলারের ডিসিশন থাকে। কিপিং অনেক দিন পর করছি। সেভাবে কিপিং করা হয় না। আমার জন্য ভালো সুযোগ। উপভোগ করছি, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে।’
এরপরে রান তাড়া নিয়ে ইমন জানিয়েছেন, ‘এই রান তাড়া করা কঠিন না। তবে সেকেন্ড হাফে উইকেট একটু ভিন্ন আচরণ করছিল। বল একটু এক্সট্রা বাউন্স করছিল প্রথম ইনিংসের তুলনায়। সহজই ছিল। একটা দুইটা বাউন্ডারি হলে তাড়া করা সহজ হতো।’
ইমন আরও বলেন, ‘(মঈন আলী থাকা পর্যন্ত) হ্যাঁ পুরো কনফিডেন্স ছিল। আউট হওয়ার আগপর্যন্ত ছন্দে ছিল, যেভাবে খেলছিল। আমাদের বোলাররাও এটা করতে পারতো। সমস্যা নেই, পরের ম্যাচে পারবে।’
মঈনকে উপরে নামানো নিয়ে ইমন জানান, ‘টিমের প্ল্যান থাকে, ওই অনুযায়ী। উনি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। এমন অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে। দল যাকে যেখানে প্রয়োজন সেখানেই পাঠাচ্ছে।’
এলিমিনেটরে খেলা নিশ্চিত হয়ে গেছে সিলেটের। তবে হারলেই বাদ পড়তে হবে। এনিয়ে ইমন জানান, ‘অবশ্যই জয়ের মাইন্ডসেটই থাকতে হবে সবসময়। আমরা চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার। এক্সট্রা কোনো চাপ যদি নিয়ে ফেলি, নকআউট ম্যাচ তখন আরও কঠিন হয়ে উঠবে। নরমাল প্রসেস অনুযায়ী খেললে ভালো।’
পুরো বিপিএলে একবারও ২০০ রান হলো না কেন? ইমনের জবাব, ‘সিলেটে অনেক ম্যাচ হয়েছে। এক উইকেটে টানা খেলা হলে উইকেটের আচরণ একেকরকম হয়েছে। প্রথম ম্যাচে একরকম হলে দ্বিতীয় ম্যাচে আরেকরকম হয়েছে। এমনও হয়েছে প্রথম ইনিংসে একরকম, দ্বিতীয় ইনিংসে অন্যরকম। এ কারণেই হয়তো একটু কঠিন ছিল। সবারই দুইশ করার সামর্থ্য আছে।
অনেক দুইশ হয়েছে। এবার হয়নি তবে আগে হয়েছে। চট্টগ্রামে… তিন ভেন্যুতে খেলা হলে সুবিধা হলো উইকেট ভালোভাবে তৈরি করা যায়। সিলেটে এত ম্যাচ খেলেছি, উইকেট শেষদিকে এত সাপোর্ট করছিল না। এটাই…।’
এমআই/টিএ