১২ ফেব্রুয়ারি আসন্ন গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফটোকার্ড শেয়ার করলেন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ফেসবুক পেজ এবং এক্স হ্যান্ডল থেকে গণভোটের প্রচারণায় ফটোকার্ড শেয়ার করেন তিনি।
ফটোকার্ডে লেখা, ‘গণভোট ২০২৬- দেশকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দিন ‘হ্যাঁ’তে সিল দিন।’
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে চলমান ফটোকার্ড শেয়ার অব্যাহত রয়েছে। আগামীকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। ধারাবাহিক এই কার্যক্রমের লক্ষ্য গণভোটকে ঘিরে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
এদিকে অন্য উপদেষ্টারাও দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সরকারিভাবেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলের নেতা এবং প্রার্থীরাও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের প্রচারণা করছেন।
যে চার বিষয়ে হবে গণভোট-
ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।
গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে মতামত জানানো যাবে।
এসএস/টিএ