সৌদি আরব সোমালিয়া ও মিসরের সঙ্গে এক নতুন সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ শুরু করেছে। এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো লোহিত সাগরে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রভাব কমানো। শিগগির সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ সৌদি আরব সফর করবেন, যেখানে চুক্তি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হবে।
গত কয়েক মাসে সৌদি আরব ও ইউএইর মধ্যে ইয়েমেন ইস্যুতে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর সৌদি আরব ইয়েমেনের মুকাল্লা বন্দরে বোমা হামলা চালায়, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ইউএই থেকে আসা অস্ত্রচালান প্রতিহত করার জন্য করা হয়। এরপর সৌদি আরব ও ইউএইর মধ্যে অনলাইনে তীব্র বাক্যযুদ্ধ হয়। ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল কাউন্সিল ইউএইকে দেশ ছাড়ার দাবি জানায় এবং প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করে। সোমালিয়াও সম্প্রতি ইউএইর সঙ্গে নিরাপত্তা ও বন্দর সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করেছে।
সৌদি আরব সোমালিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে এবং পূর্ব আফ্রিকার সঙ্গে কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী। একই সময়ে সৌদি আরব ও মিসরের সম্পর্কও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। মিসর সৌদি আরবকে ইয়েমেনে ইউএইর কার্যক্রম সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ও নতুন জোট গঠনের প্রক্রিয়া অঞ্চলে একটি মৌলিক কূটনৈতিক ও সামরিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এসএস/এসএন