সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতু বিক্রি হচ্ছে। সবশেষ সমন্বয়কৃত দাম অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে রুপাও।
সবশেষ গত ২৬ জানুয়ারি রাতে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকায়। যা দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গত ২৬ জানুয়ারি বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৫২৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ৭৫৭ টাকায়। যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৭ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৭৮২ টাকায়।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৩ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এমআই/এসএন