ভুল থেকে যে শিক্ষা নেওয়া যায়, তা কাজে দেয় আজীবন। এই কথাটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। একটি ভুলে তার প্রিয় একজন মানুষ চলে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে; যাঁকে হারানোর কষ্ট এখনও অনুভব করেন এই অভিনেত্রী। সে কারণে চলার পথে সবসময় সতর্কতা অবলম্বন করেন।
বিশেষ করে গাড়িতে ওঠার পর সিটবেল্টের দিকে নজর চলে যায় সব কিছুর আগে। সিটবেল্ট না বেঁধে কয়েক ফুটের দূরত্ব অতিক্রম করতে চান না।
এই সময় আনলাইনসহ ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া বলেছেন, কীভাবে প্রিয়জনকে হারিয়ে সতর্ক হয়ে উঠেছেন তিনি।
এই অভিনেত্রীর কথায়, তার জীবনে এমন এক ভয়ংকর স্মৃতি আছে, যে কারণে তিনি এখনও বিশেষ একটি নিয়ম মেনে চলেন। এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আলিয়ার কাছের মানুষের। তার পর থেকেই গাড়িতে উঠে সিটবেল্ট বাঁধতে ভোলেন না আলিয়া।
সম্প্রতি সড়ক সুরক্ষা অভিযানের এক অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চন, ভিকি কৌশলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আলিয়া। সেই অনুষ্ঠানে জীবনের সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা মনে করে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন আলিয়া।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, পথ দুর্ঘটনায় তিনি তার ন্যানিকে (পেশাদার যত্নকর্মী) হারিয়েছেন। তাই এখনও পেছনের সিটে বসলেও তিনি সিটবেল্ট বেঁধে বসেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ১২ বছর বয়সে তিনি তার ন্যানিকে হারান। ন্যানি তার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ন্যানির কাজ করলেও তাকে বোনের মতোই মনে করতেন। আলিয়া বলেন, ‘ওঁর নাম ছিল শ্রদ্ধা। ওঁকে আমরা পথ দুর্ঘটনায় হারিয়েছি।’
এদিকে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আলিয়ার এই অতীত চারণ অনেকের মনে ছাপ ফেলেছে। অন্যদিকে আবার নিন্দার ঝড় বইছে, ‘হক’ সিনেমার জন্য ইয়ামি গৌতমের ভূয়সী প্রশংসায় মেতে ওঠায় ও নিজেকে তার ‘ফ্যান’ বলে দাবি করায়।
সমালোচক নেটিজেনদের দাবি, পরিচালক আদিত্য ধরের সিনেমায় কাজ পাওয়ার জন্যেই তার স্ত্রী ইয়ামিকে তৈলমর্দন করছেন আলিয়া। কারণ এই নির্মাতার ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি ভারতজুড়ে আলোড়ন তুলেছে এবং এখন চলছে এর দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের পরিকল্পনা। তাই ইয়ামির প্রশংসায় মেতে ওঠায় প্রমাণ করে আলিয়া সুযোগ সন্ধানীদের একজন।
এমকে/টিএ