বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে। বিএনপি জনগণের কাছে একটি পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল। মানুষ সেই দলের ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত।’
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দাউদকান্দি পৌর সদরের তুজারভাঙ্গায় গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপির দেশ পরিচালনার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ ও জনগণের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে। দলটি যখনই ক্ষমতায় ছিল, মানুষ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ছিল। তাই জনগণ ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে।
আগামী নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করবে।’
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিএনপি এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। সবাই মিলে দেশ গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান, ড. মোশাররফ হোসেন।
ড. মোশাররফ বলেন, ‘কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ ও দরিদ্র পরিবারকে নানামুখী রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিতে কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং শিক্ষিত বেকারদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তারেক রহমান সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা জাতির কাছে তুলে ধরেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তার গৃহীত এসব গণমুখী কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’
ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘একটি দল ৭১-এ স্বাধীনতার চরম বিরোধিতা করেছে। এখন ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।
তারা পবিত্র ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের ভোট দিলে শেষ বিচারে পুরস্কার পাওয়া যাবে বলে প্রচারণা চালাচ্ছে। যা আমাদের পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী, ইসলাম ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক।’
দাউদকান্দি পৌর বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী মোস্তফা ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। এ ছাড়া এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, পিটার চৌধুরী, কাউছার আলম সরকার, আব্দুস সাত্তার, মামুন হোসেন ভূঁইয়া, ভিপি সাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া, শরীফ চৌধুরী, সচিব রোমান খন্দকার, রাসেল মিয়া, মোল্লা সোহেল, মো. পাভেল প্রধান প্রমুখ।
এমআই/এসএন