চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদী একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ নিয়ে ’২৪-এর ৫ আগস্ট পরবর্তী দ্বিতীয়বার জেলবন্দি হলেন তিনি।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাঈদী কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তার বিরুদ্ধে হওয়া একটি জিআর মামলায়।
এ সময় আদালতের বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফজলুল করিম সাঈদীর আইনগত কৌঁসুলি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী গোলাম ফারুক খান কাইছার।
তিনি বলেন, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর বিরুদ্ধে রুজু হওয়া একটি জিআর মামলায় দীর্ঘদিন জেল খাটার পর আদালত কর্তৃক জামিনে ছিলেন। তবে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি ওই মামলার পরবর্তী দুই ধার্য তারিখে অনুপস্থিত ছিলেন।এই অবস্থায় আদালত তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে।
আইনগত কৌঁসুলি গোলাম ফারুক খান কাইছার জানান, সর্বশেষ রবিবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সূত্র জানায়, ২০২৪-এর ২১ ডিসেম্বর প্রাইভেট কারে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ফেনীর মহিপাল এলাকায় র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন ফজলুল করিম সাঈদী।
পরে তাকে চকরিয়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। সাঈদী আওয়ামী লীগের সময়ে পরপর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এমআর/টিএ