দীর্ঘ বিরতির পর ফের বড় পর্দায় আকর্ষণীয় চরিত্রে ফিরে এসেছেন রানি মুখার্জি। যশরাজ ফিল্মস প্রযোজিত জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি ‘মারদানি ৩’ মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। ছবিতে আগের দুই পর্বের মতোই রানি মুখার্জিকে দেখা গেছে নির্ভীক ও আপসহীন পুলিশ অফিসার শিবানী শিবাজি রায়ের ভূমিকায়।
এবারও গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত জাতিবাদ, লিঙ্গবৈষম্য এবং পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে এক কঠিন লড়াই।
‘মারদানি ৩’ দুই দিনে মোট আয় করেছে প্রায় ৯.৬০ কোটি রুপি। প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে মোট আয় প্রায় ১৬ কোটি টাকা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও সিনেমাটি ভালো রাখতে পারলে প্রথম সপ্তাহে মোট আয় প্রায় ২৪ কোটি রুপি হতে পারে।
শনিবার ভারতীয় প্রেক্ষাগৃহে ‘মারদানি ৩’ আয় করেছে প্রায় ৫.৭৫ কোটি রুপি। সিনেমাটি উদ্বোধনী দিনের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃদ্ধি যথেষ্ট ভালো হলেও এ ধরনের সিনেমার জন্য আরও ভালো বৃদ্ধি প্রয়োজন। যা সিনেমাটিকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রেক্ষাগৃহে চলার সুযোগ দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে সিনেমার খরচ অনেক বেড়ে গেছে। কিছু সিনেমার খরচ আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা ত্রিগুণ হয়েছে। ‘মারদানি ৩’ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত বাজেটে নির্মিত হয়েছে। যদিও খরচ ‘মারদানি ২’-এর দ্বিগুণ, তবু যদি সিনেমার প্রতিক্রিয়া ভালো থাকে তাহলে ছবিটি লাভের মুখ দেখবে।
‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ ছবির সাফল্যের পর জাতীয় পুরস্কার জয়ের পরে এটি রানি মুখার্জির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। পাশাপাশি, হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে তার ৩০ বছরের ক্যারিয়ার পূর্তির সময়েই ‘মারদানি ৩’-এর মুক্তি অভিনেত্রীর কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করছে।
যদিও সমালোচকদের কাছ থেকে ছবিটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, তবু এর ওপেনিং ডে কালেকশন প্রত্যাশার তুলনায় মাঝারি বলেই মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।
নারীকেন্দ্রিক ছবির মধ্যে অবশ্য রানির ছবিটির রেকর্ড ভালো। কারিনা কাপুরের ‘দ্য বাকিংহাম মার্ডার্স’ প্রথম দিনে আয় করেছিল মাত্র ১.১৫ কোটি রুপি। ইয়ামি গৌতমের ‘হক’ আয় করেছিল ১.৭৫ কোটি। তবে ‘মারদানি ৩’ পিছিয়ে রয়েছে ইয়ামির ‘আর্টিকল ৩৭০’ ও আলিয়া ভাটের ‘জিগরা’ থেকে।
এমআর/টিএ