পেশাদার সংগীতজীবনের দেড় দশক পূর্ণ করেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী সোমনূর মনির কোনাল।
এই দীর্ঘ সংগীতযাত্রায় তাঁর সৃজনশীল সঙ্গী হয়ে উঠেছে গানের দল কে-কম্পানি, যা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত সংগীতচর্চা ও মঞ্চ পরিবেশনার মাধ্যমে শ্রোতাদের কাছে পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে।
২০০৯ সালে দেশের একটি গণমাধ্যময়ের রিয়ালিটি শো সেরাকণ্ঠ এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কয়েক বছর পর নিজের সংগীত ভাবনাকে দলবদ্ধ রূপ দিতে কে-কম্পানি গড়ে তোলেন কোনাল। তাঁর ভাষায়, কে-কম্পানি মানে কেবল একটি ব্যান্ড নয় এটি কোনালের সংগীত সহযাত্রীদের সম্মিলিত যাত্রা। এই সহযাত্রীদের নিয়েই তিনি দেশের নানা প্রান্তে যেমন গান পরিবেশন করেছেন, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও মঞ্চে উঠেছেন। সময় কীভাবে এক যুগ পেরিয়ে গেছে, তা টেরই পাননি বলেও জানান এই শিল্পী।
কে-কম্পানিকে নিজের আরেকটি পরিবার হিসেবে উল্লেখ করে কোনাল বলেন, এই দলের সঙ্গে শুধু সংগীত নয়, জীবনের অন্যরকম এক ভ্রমণও হয়। আমরা সবাই মিলে সবসময় চেষ্টা করি শ্রোতাদের জন্য সুন্দর, মানসম্মত এবং প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান উপহার দিতে।’
বর্তমানে কে-কম্পানির লাইনআপে কোনালের সঙ্গে রয়েছেন রকিবুল ইসলাম রকি (লিড গিটার), পলাশ কুমার হালদার (ড্রামস ও পারকাশনস), রুবেল আহমেদ (বেজ গিটার), জাহিদুর রহমান (কি-বোর্ড), উজ্জ্বল কুমার ভট্টাচার্য (পারকাশনস) এবং সজীব (শব্দ প্রকৌশলী)। দলটি বরাবরই মঞ্চ পরিবেশনায় নতুনত্ব আনার নিরীক্ষা চালিয়ে আসছে, যা তাদের স্টেজ শোকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
এক যুগ পূর্তির পর নতুন পরিকল্পনায় এগোচ্ছে কে-কম্পানি। বর্তমানে দলটি একটি নতুন অ্যালবাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। পাঁচটি নতুন গানের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বছরজুড়েই দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন কনসার্টে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে দলটি।
আগামী বছর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কে-কম্পানির ১২ বছর পূর্তি উদ্যাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন কোনাল। তাঁর প্রত্যাশা, আগামী দিনগুলোতেও শ্রোতাদের ভালোবাসা আর সংগীতের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কে-কম্পানি এগিয়ে যাবে তাদের পথচলায়।
পিআর/টিকে