© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তিহাড় জেল থেকে ফিরেই নাচে মাতলেন রাজপাল যাদব

শেয়ার করুন:
তিহাড় জেল থেকে ফিরেই নাচে মাতলেন রাজপাল যাদব

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৫৪ পিএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তিহাড় জেলের কঠোর প্রহরা আর নির্দিষ্ট সময়ের বাঁধাধরা জীবনের পর অবশেষে মুক্ত আকাশের নিচে ফিরেছেন বলিউডের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা রাজপাল যাদব। ৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে এগারো দিন পর তিনি জেল থেকে বেরিয়ে আসেন। চলতি সপ্তাহের সোমবার দিল্লি উচ্চ আদালত থেকে স্বস্তি মেলার পর আর দেরি করেননি, সোজা পৌঁছে গিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে নিজের পৈতৃক ভিটেয়।

এই মুহূর্তে পরিবারের দাদার মেয়ের বিয়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজপাল। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভাইঝির বিয়েতে যোগ দেওয়ার জন্য জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। প্রথমে তা খারিজ হলেও পরে বকেয়া দেড় কোটি টাকা পরিশোধের পর মিলেছে জামিন। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসতেই বাড়িতে শুরু হয় চূড়ান্ত ব্যস্ততা।

সেই বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই সামনে আসে এক অন্য ছবি। ধুতি-কুর্তা পরে একেবারে সাধারণ সাজে, চারপাশে মহিলাদের পরিবেষ্টিত হয়ে বাজনার তালে দেদার নাচতে দেখা যায় রাজপালকে। মুখে হাসি, শরীরে মুক্তির স্বস্তি মুহূর্তেই সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে। জেলমুক্তির পর প্রিয় অভিনেতাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দেখে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরাও।



তবে এই আনন্দের আড়ালে রয়েছে সাম্প্রতিক বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা। জানা গেছে, তিহাড়ে অন্য বন্দিদের মতোই নিয়ম মেনে দিন কাটাতে হয়েছে তাঁকে। সকাল ছয়টায় চা ও রুটি, সন্ধ্যা ছয়টায় ডাল-ভাত, রুটি-সবজি নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার সুযোগ ছিল না। যে সেলে তাঁকে রাখা হয়েছিল, সেখানে একসময় কুখ্যাত অপরাধীদেরও রাখা হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। নিরাপত্তার কারণে সাক্ষাৎ সীমিত থাকলেও অনেক বন্দিই নাকি তাঁকে একবার দেখার জন্য আগ্রহী ছিলেন।

জেল থেকে বেরিয়েই সমাজমাধ্যমে প্রথম বার্তায় কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজপাল যাদব। পাশাপাশি সংশোধনাগার ব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলেছেন তিনি।

তবে আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। আগামী ১৮ মার্চ ফের দিল্লি উচ্চ আদালত-এ মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে আইনি জটিলতা কাটাতে পারেন কি না, এখন নজর সেদিকেই। আপাতত পরিবারের আনন্দ, বিয়ের সুর আর আপনজনদের মাঝে সময় কাটিয়েই যেন নতুন করে জীবনের ছন্দ খুঁজে নিচ্ছেন রাজপাল যাদব।

পিআর/টিএ

মন্তব্য করুন