© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রমজানের প্রথম জুমায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

শেয়ার করুন:
রমজানের প্রথম জুমায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৫৫ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রমজানের প্রথম শুক্রবারে জুমার নামাজে কলকাতাসহ মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বিকেলের শুরু থেকেই ইফতার ও ফলের দোকানগুলোতে ভীড় করেন।

কলকাতার জাকারিয়া স্ট্রিটের নাখোদা মসজিদ, ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদ, পার্ক সার্কাসের বাইতুল মুকাররম মসজিদ, তালতলার মাওলানা আজাদ মসজিদ, খিদিরপুরের নূরানী মসজিদ'এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতেও বিভিন্ন মসজিদে রমজানের প্রথম জুমাবারে মুসল্লিদের ঢল নামে।

রাজ্যটির মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের আঙিনায় রমজানের জুমা পালিত হয়। কয়েক হাজার মুসল্লি বেলডাঙার ওই মাঠে নামাজ আদায় করেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায় কর দেখা যায় 'জনতা উন্নয়ন পার্টি'র চেয়ারম্যান ও ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকেও।

নামাজ শেষে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে করা এক পোস্টে তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ! পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম জুম্মায় আজ প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের পবিত্র ভূমিতে নামাজ আদায়ের সৌভাগ্য হলো।রমজানের রহমত আর জুম্মার বরকত- এই দুইয়ের মিলনমেলায় আজকের পরিবেশ ছিল এক কথায় নূরানী। হাজার হাজার মুসল্লির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মহান আল্লাহর দরবারে সিজদাবনত হয়ে মনটা প্রশান্তিতে ভরে গেল। পোস্টে তিনি এই পবিত্র ভূমি যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ইনসাফ এবং ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে এমন আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া রমজান মাসের পরদিনই শুক্রবার। রমজানের দ্বিতীয় ইফতারে বিকেলের পর কলকাতাসহ জেলার ফলের বাজারগুলোতেও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। বছরের অন্য সময়ের চেয়ে রমজান মাসে ফলের দাম একটু বেশিই থাকে। ফলে ফল কিনতে গিয়ে একটু হিমশিম খাচ্ছেন খাচ্ছেন ক্রেতারা।

রমজানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে খেজুরের। নানা জাতের খেজুরের পাশাপাশি রয়েছে কলা, তরমুজ, আঙ্গুর, আপেল, পেঁপে, পেয়ারা, কমলাসহ হরেক রকমের ফল। এর পাশাপাশি চাহিদা রয়েছে কাজুবাদাম, পেস্তা, কিসমিস, আখরোটসহ ড্রাই ফ্রুটসগুলোরও।

বাজারে ফল কিনতে আসা একজন জানান, রমজানের সময় জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত একটু নজর দেওয়া। তবে আমরা যেহেতু নিয়মিত ক্রেতা তাই হয়তো খুব একটা অসুবিধা হয় না।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন