আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমার ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চিয়তা
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৪ পিএম | ১৪ মার্চ, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ফুটবলের ব্যস্ত সূচির কারণে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন এবং দক্ষিণ আমেরিকার শিরোপাধারী দল স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফিনালিসিমা দফায় দফায় পিছিয়েছে। অবশেষে চলতি মাসের ২৭ তারিখ কাতারের রাজধানী দোহায় ম্যাচটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আয়োজকরা। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সেখান থেকেও সরে যাচ্ছে ম্যাচটি।
এরপর ফিনালিসিমা আয়োজনে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামকে সম্ভাব্য বিকল্প ধরা হলেও নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই ম্যাচটি আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা (কনমেবল)। কারণ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও তাদের মাঠে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি আয়োজনে আগ্রহী বলে শোনা যায়। তাই এখন আলোচনা হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যু নিয়ে।

ইতালির গণমাধ্যম ‘লা গ্যাজেটা দেলো স্পোর্ট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘এখনও (ফিনালিসিমার ভেন্যু) কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। তবে আলোচনায় রয়েছে দুটি সম্ভাব্য ভেন্যু- ইতালির মিলান বা পর্তুগালের লিসবন। লজিস্টিকের দিক থেকে পর্তুগালের রাজধানী বেশ সুবিধাজনক মনে করা হচ্ছে। তবে মিলানে সান সিরোর ঐতিহ্য ও আকর্ষণ তুলনাহীন বলে মনে করা হচ্ছে।
মূলত, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টুর্নামেন্ট ও ম্যাচ স্থগিত করেছে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাতে বেশকিছু ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি ফিনালিসিমাও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট রাফায়েল লুজান জানিয়েছেন, ‘এখানে অনেক কিছু জড়িত। উয়েফা ও কনমেবলের ফিনালিসিমা চুক্তি হয়েছে একটি কোম্পানির মাধ্যমে, তাদের ছয়টি খেলার চুক্তি হয়েছে যার সবগুলো দোহাতে হওয়ার কথা।’
‘এর মধ্যে স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা (২৭ মার্চ), মিশর বনাম স্পেন (৩০ মার্চ), সৌদি আরব বনাম সার্বিয়া (৩০ মার্চ) ও আর্জেন্টিনা বনাম কাতার (৩১ মার্চ)। এটা একটি পুরো প্যাকেজের অংশ। কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই। আমাদের একটি সমস্যা আছে, কিন্তু তাদেরও’, আরও যোগ করেন স্প্যানিশ ফুটবলের প্রধান।
এর আগে, ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা বলেছিল, ‘স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে আলাপ চলছে, যারা এই ম্যাচ সফল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’ এই ম্যাচ আয়োজনে দোহাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে এটি স্পেন বা ইউরোপের অন্য কোথাও সরে যাবে, যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়রা ঘাঁটি গাড়বে।
আরআই/টিকে