জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কারও কোনো ক্ষতি না করেই উত্তম সম্পর্ক রাখতে চাই। তেমনি উত্তম বন্ধু হিসেবে রাখতে চাই। কিন্তু আল্লাহ’র কসম আমরা কাউকে প্রভু হিসেবে আসতে দেবো না। আল্লাহ্’র বাইরে আমাদের কোনো প্রভু নাই। এই ব্যাপারে আমরা আপোসহীন।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ক্রিকেটার মোস্তাফিজের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমিরর বলেন, ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশকে আলোকিত করেছে মোস্তাফিজ। এই ছেলেটাকে পার্শ্ববর্তী দেশ একটা ফেন্ডলি ম্যাচে যেতে দেয়নি। দেশের প্রতি ক্রিকেটের প্রতি চরম অপমান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ভারতে গিয়ে টি টোয়েন্টি খেলার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে। দাবি ছিল এই খেলাটা শ্রীলংকায় হোক আমরা যাবো। ক্রিকেট বোর্ড (আইসিসি) এই সংগত দাবিটাকে মানলো না আমরা দুঃখিত, লজ্জিত।
তিনি আরও বলেন, এখনও সময় আছে আমরা আপনাদের অনুরোধ করি আপনারা সিদ্ধান্ত রিভিউ করেন। এমন বহু নজির আছে কোন একটা দল অপমান, নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেছে, আমরা ওখানে (সেই দেশ) গিয়ে খেলবো না, পার্শ্ববর্তী দেশে গিয়ে খেলবো সেই দেশ নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি অন্যদের জন্য তাই করা হয় বাংলাদেশের জন্য কেন করা হবে না।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত জনপ্রতিনিধি হয়ে দেশের সম্পদ লুন্ঠন করে বিদেশে পাচার করেছে। ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকে যার ডকুমেন্ট আছে। কথা দিচ্ছি, আল্লাহ সুযোগ দিলে ওদের পেটের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে জনগণের সম্পদ বের করে আনবো।
জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের ব্যাপারে আমাদের কোনো দয়া মায়া নেই। জামায়াত এ ব্য্যাপারে কঠোর আ আপোসহীন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের বার্তা হচ্ছে, যেদিন এই সরকার শপথ নিবে অতীতে যা করেছো পরে দেখা যাবে, এখন থেকে কেউ আর কালো টাকার দিকে হাত বাড়াতে পারবা না। যারা ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় চাকরি করেন তাদের সেলারি হবে সম্পূর্ণ আলাদা।
সাতক্ষীরা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, এই জেলাকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে সাড়ে ১৫ বছর। সৎ মায়ের সন্তানের মত আচরণ করা হয়েছে। জেলার চারটি আসন যদি আমাদের উপহার দেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে জেলার সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করবো। আপনারা যদি সরকার গঠণের সুযোগ দেন। তাহলে কোন শিক্ষিত চোরের হাত আপনাদের কোন অংশ খেয়ে ফেলতে পারবে না, খেয়ে ফেলতে দেয়া হবে না।
এসকে/এসএন