বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দল দেখে ভোট দেবেন না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন। যে ব্যক্তিকে মনে করবেন আপনাদের নেতা হওয়ার যোগ্য যে দলেরই হোক সেই ব্যক্তিকে ভোট দেবেন।
তিনি বলেন, আমি অন্ধ রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আমরা সমাজকে শিক্ষিত দেখতে চাই, গুন্ডা-পান্ডা আর মাস্তানের রাজনীতি আর দেখতে চাই না।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি কলঙ্কিত রাজনীতি, এটি দেশকে ধ্বংস করছে। সুতরাং ভোট দেওয়ার সময় বিচার-বিবেচনা করে দেবেন। অশিক্ষিত ও মুর্খদের ভোট দেবেন না। দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক ও শিক্ষিত ব্যক্তিদের ভোট দেবেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালামোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত এক অভিভাবক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, পাকিস্তান আমলে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ হওয়ার পরই অশিক্ষিত-মুর্খের দল রাষ্ট্রক্ষমতায় চলে গিয়েছে, তারা শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতিকে অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে। সাম্প্রতিককালে শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো কোনো কিছুর চর্চা দেখি না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ১৬ বছর ছিল দুঃস্বপ্নের সময়। আওয়ামী লীগ ভারতের পদানত হয়ে তাদের স্বার্থ রক্ষা করেছে। বর্তমানে ভারতে বসে বসে কীভাবে বাংলাদেশের নির্বাচনকে ধ্বংস করা যায়, কীভাবে এ দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা যায় এসব নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমাদের সবার জন্য একটা সুযোগ এসেছে, যেখানে আবার নতুন করে আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব। আমরা আশা করি, আপনারা সেই দিন ভোট দিয়ে সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বেছে নেবেন।
সভায় লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোশররফ হোসেন মতিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা।
এমআর/টিএ