বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মন্ত্রণলায়ের উপসচিব মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ‘২০২৬ সালের হজে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের নিবন্ধনকারী সব হজযাত্রীর সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রাজকীয় সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করে ফিটনেস সনদ গ্রহণ করে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সৌদি নুসুক মাসার সিস্টেমে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।’
উল্লেখ্য, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কেউ হজে যেতে পারবেন না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
যেসব কেন্দ্রে করা যাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় ছাড়াও ঢাকা ও ঢাকার বাইরের নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত হাসপাতালে টিকা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরী
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল
বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক
ঢাকার বাইরে
গাজীপুর: শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সিলেট: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
খুলনা: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
বগুড়া: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল।
দিনাজপুর: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল।
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা: স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় হজযাত্রীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও হজ পোর্টাল (www.hajj.gov.bd) থেকে প্রিন্ট করা ই-হেলথ প্রোফাইল রাখতে হবে। এছাড়া হজ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
ইউটি/টিএ