তিনি আরও বলেন, হিন্দু ভাইদের পেলে আমার মনে হয় আপনাদেরকে অনেকদিন থেকে চিনি। কারণ, আমার অধিকাংশ সময় কেটেছে আপনাদের মত মানুষের সঙ্গে। কারণ এ দেশে তো আমি থাকতে পারতাম না, থাকতাম কলকাতায়। আর ওখানে তো আপনাদের লোকজনই বেশি। তাই আপনাদের চেহারা দেখলে মনে হয় যেন একই আছে।
তিনি হরিনারায়নপুর মন্দিরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মসজিদে যেমন বাজেট হয়, মন্দিরের জন্য বাজেট হয়। এই অবস্থা কেন? যারা ছিল দায়িত্বে তারা অবশ্যই মন্দিরের টাকা মেরে খেয়েছে। এই যে এখানে একটা ছাদ দেয়ার কথা। দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে এখানে মনে হয় আপনাদের পূজা অর্চনা এগুলো ভালো হয় না। মসজিদের জন্য যদি ১০ টাকা আসে মন্দিরের জন্য যদি পাঁচ টাকা আসে এটা সেভাবেই বিলি বণ্টন হবে সুতরাং এবার আমরা কথা দিচ্ছি বাজেট যা আসবে আমাদের পকেটে একটা টাকাও যাবে না। আমাদের ধর্ম অনুযায়ী এটা হারাম নিষিদ্ধ।
তিনি বলেন, আপনারা এক জাতিতে আছেন আমরা আরেক জাতিতে আছি। আমরা চাই আমাদের ভাগ্য আমরা নিজেরা পরিবর্তনের এবার চেষ্টা চালাবো। কোনও দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসী আর দখল করে খায় যারা এরা যেন সামনে আসতে না পারে। এরা যদি আসে আপনারাও নিরাপদ না আমরাও নিরাপদ না। কারণ ওরা চাঁদা আপনার কাছেও নেয় আমাদের কাছেও নেয়। জেলে আপনাদেরকেও দেবে, আমাদেরকেও দেবে। দখল আপনারটাও যেমন করবে আমারটাও দখল করবে।
ফতি আমির হামজা বলেন, আমি যদি ক্ষমতায় যাই তাহলে যা বাজেট আসবে তাই খরচ হবে। প্রতিটা ওয়ার্ডে আমাদের লোক আছে টাকা মেরে খাওয়ার মত অবস্থা নেই। ১০০ টাকার কাজ আসলে ৫ টাকার কাজ করে ৯৫ টাকা মেরে খাওয়া হবে না। আমি করতে দেবো না।
আমার ইচ্ছা আছে এই এলাকায় একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বানাবো। কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করব। আমরা জানি একজন ব্যক্তি ব্যক্তি পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পেতে পেতে অনেক সময় লাগে। আমাদের চিন্তা আছে পড়াশোনা শেষ করতে করতে উপযুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করবো। আমি চাইবো এ এলাকায় কেউ যেন বেকার না থাকে।
নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই সভায় মুফতি আমির হামজার বক্তব্যের ৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে মুফতি আমির হামজাকে এ ধরনের বক্তব্য দিতে শোনা যায়।
ইউটি/টিএ