© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা না হলে, ছবি ফ্লপ!’

শেয়ার করুন:
‘সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা না হলে, ছবি ফ্লপ!’

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৭ পিএম | ০৮ মার্চ, ২০২৬
ওয়েব সিরিজের জগতে দর্শকদের কাছে ইতিমধ্যেই আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে মন্টু পাইলট। নতুন মৌসুমকে ঘিরে এবার যোগ হয়েছে নতুন এক চরিত্র, আর সেই চরিত্রের হাত ধরেই গল্পে আসছে নতুন সংঘাত। সিরিজের তৃতীয় পর্বে মন্টুর প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হচ্ছেন নির্মাতা ও অভিনেতা কিউ। তাঁর চরিত্রের নাম জাহাঙ্গির। পর্দায় মন্টুর শত্রু হলেও বাস্তবে অভিনেতা সৌরভ দাস এবং কিউয়ের বন্ধুত্ব এখন আলোচনায়।

নতুন মৌসুমে জাহাঙ্গির চরিত্রটি মন্টুর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন কিউ। তাঁর কথায়, সিরিজের প্রতিটি পর্বেই মন্টুকে জয়ী হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার সেই ধারাকে বদলে দিতে এসেছে জাহাঙ্গির। শেষ পর্যন্ত কে জিতবে, তা জানতে হলে দর্শকদের সিরিজটি দেখতে হবে।

সহঅভিনেতার প্রশংসায়ও পঞ্চমুখ সৌরভ। তাঁর মতে, কিউ যেভাবে জাহাঙ্গির চরিত্রটিকে তুলে ধরেছেন, তাতে অভিনয়ের প্রতিক্রিয়া দিতে তাঁর কাজ অনেক সহজ হয়েছে। পর্দায় দ্বন্দ্ব থাকলেও কাজের অভিজ্ঞতা ছিল বেশ উপভোগ্য।



এই প্রথমবার একসঙ্গে পর্দা ভাগ করে নিলেন সৌরভ ও কিউ। মূলত পরিচালনার কাজেই বেশি পরিচিত কিউকে অভিনেতা হিসেবে দেখার অভিজ্ঞতা নতুন হলেও তা বেশ শক্তিশালী বলেই মনে করছেন সৌরভ। তাঁর মতে, শিল্পমহলে কিউয়ের মতো অভিনেতারও প্রয়োজন রয়েছে।

অন্যদিকে কিউ নিজেও জানালেন, অভিনয় করতে তাঁর ভীষণ ভালো লাগে। তবে একটি বিষয়ে তাঁর ভয় রয়েছে অডিশন। অডিশনের সময় নিজেকে স্বচ্ছন্দ মনে হয় না বলেই অনেক সময় অভিনয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়। তবু কেউ যদি তাঁর উপর আস্থা রেখে কাজের সুযোগ দেন, তিনি তা করতে প্রস্তুত বলেই জানান।

বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র বা সিরিজের সাফল্যের ক্ষেত্রে সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব নিয়েও খোলামেলা মন্তব্য করেছেন কিউ। তাঁর মতে, এখন এমন এক সময় এসেছে যখন সামাজিক মাধ্যমে কোনও ছবি বা সিরিজ নিয়ে আলোচনা না হলে সেটি কার্যত অদৃশ্য হয়ে যায়। ভালো কাজ হলেও প্রচারের আলো না পেলে অনেক সময় তা দর্শকের চোখের আড়ালেই থেকে যায়।

এই প্রসঙ্গে সৌরভও সহমত পোষণ করেন। তিনি জানান, সামাজিক মাধ্যমে প্রচার হওয়া ভালো হলেও এর সঙ্গে জুড়ে থাকে ট্রোলিং ও নানা বিতর্ক। অনেক সময় সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেছেন তাঁকে ঘিরে অযথা বিতর্ক চলছে। আগে এসব নিয়ে ভাবতেন, এখন আর গুরুত্ব দেন না।

ওয়েব সিরিজে অশালীন ভাষা বা যৌনতার বাড়তি উপস্থিতি নিয়েও আলোচনা ওঠে কথোপকথনে। কিউয়ের মতে, সব ধরনের গল্পই তৈরি হচ্ছে। তবে বাজারের চাহিদা অনেক সময় নির্মাতাদের নির্দিষ্ট পথে হাঁটতে বাধ্য করে। দর্শক যে ধরনের বিষয় বেশি দেখছেন, নির্মাতারাও সেই দিকেই ঝুঁকছেন।

মজার ছলে কথোপকথনের শেষে কিউ জানান, বড় মাপের একটি অ্যাকশন চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে, যার জন্য প্রয়োজন প্রায় ত্রিশ কোটি টাকার বিনিয়োগ। প্রযোজক হিসেবে সেই দায়িত্ব নেবেন কি না, এমন প্রশ্ন শুনে হাস্যরসের সুরে সৌরভ বলেন, কথাটা শুনেই তাঁর মাথা ঘুরছে। আর সেই সঙ্গেই শেষ হয় তাদের আলাপচারিতা।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন