© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জমি বিক্রি করে কারিনার চিকিৎসা করতে হচ্ছে তার বাবার

শেয়ার করুন:
জমি বিক্রি করে কারিনার চিকিৎসা করতে হচ্ছে তার বাবার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২৬ পিএম | ০৯ মে, ২০২৬
হাসিখুশি, প্রাণবন্ত এক তরুণী—কারিনা কায়সার। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে পরিচিত মুখ। অভিনয় আর গল্প বলার জগতে নিজের জায়গা তৈরি করার পথে ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই হাসির আড়ালেই নীরবে বাসা বাঁধে ভয়াবহ এক অসুখ।

শরীর খারাপ লাগছিল কয়েক দিন ধরেই। কিন্তু কেউই বুঝতে পারেননি, সময়টা এত দ্রুত এমন অন্ধকারে নেমে যাবে। কয়েক দিনের ব্যবধানে অবস্থার অবনতি হয়ে এখন তিনি লাইফ সাপোর্টে।

মেয়ের এমন অবস্থায় ভেঙে পড়েছেন বাবা জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ। উন্নত চিকিৎসার জন্য কারিনাকে বিদেশে নেওয়ার চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপুল খরচ।

কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন,‘আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য ভারত বা সিঙ্গাপুরে নেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু এতে বিশাল অঙ্কের টাকার প্রয়োজন। এর আগে আমার আরেক ভাই ব্রেন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, দুই বছর তাঁর চিকিৎসায় পরিবারের অনেক টাকা সেখানে খরচ হয়েছে। এখন এ মুহূর্তে এত টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব।’



তিনি আরও বলেন,‘জমি বিক্রি করে টাকার সংস্থান করার চেষ্টা করছি। কিন্তু এতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। জানি না, সরকারিভাবে কোনো সাহায্য পাব কি না। সরকারসহ সাধারণ সবার কাছে আমি সহায়তা চাই। এই মুহূর্তে আমার মেয়েকে সুস্থ করে তোলাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, তাই সবার সহায়তা এখন খুব দরকার।’

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন কারিনা কায়সার। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কারিনার আগে থেকেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ছিল। কয়েক দিন ধরে অসুস্থ বোধ করলে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। পরে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর শরীরে সংক্রমণ হয়েছে। এর মধ্যে হেপাটাইটিস এ-তেও আক্রান্ত হন তিনি। অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়ে লিভার ফেইলিউর দেখা দিলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন কারিনা কায়সার। ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’-এর মতো কাজের মাধ্যমে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলছিলেন তিনি। কিন্তু এখন সব পরিচয়ের বাইরে, একটি পরিবার শুধু তাদের মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায়।

এমআই/টিকে 

মন্তব্য করুন