আসন্ন গণভোটে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে একটি বিভাগীয় বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আকাশজুড়ে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অন্যতম এক অভিযাত্রা হচ্ছে- গণভোট ২০২৬। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার এবং নিরাপদ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরাই এবারের গণভোটের উদ্দেশ্য।’ আমরা বিশ্বাস করি- ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক তাদের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট মতামত প্রকাশ করবেন এবং গণভোটকে সার্থক করে তুলবেন।’
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (সিনিয়র সচিব) জনাব মনির হায়দার এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব কামাল উদ্দীন।
চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বক্তারা গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। অনুষ্ঠান চলাকালে গণভোট সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা। এটি উপস্থিত সবার মধ্যে গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ও আস্থা তৈরিতে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখে।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই সম্মেলন প্রশাসন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সমন্বয় ও ইতিবাচক সম্পৃক্ততা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
পিএ/টিএ