বাংলাদেশের ফেন্সিংয়ের অন্যতম আইকন ফাতেমা মুজিব। ২০১৯ সালে কাঠমান্ডু এসএ গেমসে তিনি স্বর্ণ জেতার পরই ফেন্সিং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনায় আসে। এরপর থেকেই ফেন্সিং মানেই ফাতেমা মুজিব। হাঁটুর চোটের কারণে অন্তত চার মাস খেলার বাইরে ছিলেন এসএ গেমসে সোনাজয়ী ফেন্সার ফাতেমা মুজিব। শেষ পর্যন্ত চোট কাটিয়ে আবারও তরবারি নিয়ে ফেন্সিংয়ের পিস্টে ফিরতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই ফেন্সার।
আগামীকাল ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে প্রেসিডেন্টস কাপ ফেন্সিং প্রতিযোগিতা। এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন জেলা, সার্ভিসেস সংস্থা যেমন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবের মোট ১৮টি দল অংশগ্রহণ করছে। ইপি, ফয়েল ও সেবার—এই তিন ইভেন্টে পুরুষ ও নারী একক ও দলগত বিভাগে সব মিলিয়ে ২৫০ জন ফেন্সার।
ফাতেমা ফেরায় এবারের ফেন্সিং প্রতিযোগিতা আরও আকর্ষণীয় হবে বলে মনে করেন ফেডারেশন কর্মকর্তারা। তবে শুধু ফাতেমা নয় তার মত আরও অনেক খেলোয়াড়কে তৈরি করার চেষ্টা করছে ফেডারেশন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম বলেন, 'ফাতেমার পায়ের ইনজুরির কারণে চার মাস মাঠের বাইরে ছিল। এসএ গেমসের ক্যাম্পেও অনুপস্থিত ছিল সে। তবে এখন সে পুরো ফিট। কিন্তু আমরা শুধু ফাতেমা মুজিবকে নিয়েই ব্যস্ত নেই। আমরা ওর অনুপস্থিতিতে আরও অনেক ফাতেমা মুজিবের মত ফেন্সার বের করেছি। সে ২০১৯ সালে এসএ গেমসে সোনা জেতে। ওর দেখে অনেক ছেলে ফেন্সার এগিয়ে এসেছে। ও হলো আমাদের সিমবলিক। ওকে দেখে অনেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।’
এবারের প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে বিশ্বের খ্যাতনামা মোটরবাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুজুকি। গত বছর আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত জুলাই রেভ্যুলেশন ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপেও সুজুকি পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল। এ উপলক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সভাপতি মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বসুনিয়া এম আশিকুল ইসলাম, রেজাউর রহমান সিনহা, আহবায়ক টুর্নামেন্ট ও মিডিয়া কমিউনিকেশনস কমিটি, কাজী আশিকুর রহমান নির্বাহী পরিচালক, র্যানকন মোটর বাইক।
পিএ/টিএ